বর্তমানে ব্যাস্ত সময় পার করছেন চিত্রনায়ক হিমেল রাজ বিজ্ঞাপন ও ওয়েব সিরিজ নিয়ে। কিছুদিন আগে শেষ করলেন একটি ডিটারজেন্ট পাউডার এর বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনটি খুব শীগ্রই বিভিন্ন চ্যানেলে সম্প্রচার হবে। চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি এই প্রথম ওয়েব সিরিজে কাজ করতে যাচ্ছেন হিমেল রাজ। পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র একজন মহান পিতা ছবির মাধ্যমে হিমেল রাজের আবির্ভাব। শেখ শাহ আলম প্রযোজিত, মির্জা সাখাওয়াত হোসেন পরিচালিত ছবিটি গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ সালে হলে মুক্তি পায়। মুক্তিযোদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বেশ কিছু দিকনির্দেশনাকে তুলে ধরে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। এ ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন হিমেল রাজ। তার জন্ম ঢাকাতে হলেও তিনি পৈত্রিক সূত্রে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার সন্তান। ২০২১ সালে তিনি আরো দুইটি ছবির শুটিং শেষ করেছেন। একটি ভিন্ন চরিত্র নিয়ে আপনাদের সামনে আসছেন হিমেল রাজ বাংলার দর্পন নামক ছবিতে। সেখানে তিনি একজন গ্রামের শিক্ষিত, প্রতিবাদী ও পরোপকারি নিষ্ঠাবান স্কুল মাষ্টার। এ ছবিতে তিনি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন খ,ম,খুরশিদ এবং প্রযোজনা এ ওয়ান মাল্টিমিডিয়া। সম্প্রতি কাজ শেষ করলেন বর্তমান সময়ের আলোচিত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়ার একটি ছবি। হিমুর বসন্ত ছবিটি তে এক ভিন্ন চরিত্রে দেখবেন দর্শক হিমেল রাজকে, এবার আসছেন ঘর জামাই হয়ে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মির্জা সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রযোজনা শাপলা মিডিয়া। আরো বেশ কিছু ছবির কথা হয়ে রয়েছেন। ছবিগুলোর কাজ করোনার জন্য শুরু করতে পারছেনা। আমরা তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন– বাবার অনুপ্রেরণায় মিডিয়ায় আসা। আমি ছোট বেলা থেকে শিশু শিল্পী হিসেবে কাজ করেছি তবে বাবা সব সময় বলতেন আমার ছেলে একদিন বড় অভিনেতা হবেন, বাবার স্বপ্ন পূরন করতে আমি গতো ৮ বছর অনেক স্ট্রাগল করে আসছি, আজ বাবার কথা সত্যি হলেও বাবা আমার পাশে নেই এটা আমাকে অনেক কষ্ট দেয়। আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার গুরু, যিনি আমাকে আজ এই প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছেন পরিচালক মির্জা সাখাওয়াত হোসেন স্যার। আমি আরো বেশি কৃতজ্ঞ ছোট বেলা থেকে বাবার দেখা যে স্বপ্নটি লালন এবং ধারন করছি সেটাকে সব সময় সাপোর্ট দিয়ে সহযোগিতা করেছেন আমার মা। আমি মনে করি যারা এ জগতে কাজ করছে, অভিনয় নিয়ে সাধনা করছে তাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পরিবারের সাপোর্ট। কারন এখানে প্রচুর সময় দিতে হয়, স্ট্রাগল করতে হয়, অনেক কিছু সহ্য করে ধৈর্য ধরে টিকে থাকতে হয়। এ সময় পরিবারের সাপোর্ট বিশাল ব্যাপার। তাই সকল অভিভাবকদের অনুরোধ করবো আপনার সন্তানকে গড়তে আপনি সবচেয়ে আগে তার পাশে থাকুন, তাকে সাহস দিন। আমি সবার আশির্বাদ কামনা করি। আমি যেন আপনাদেরকে ভাল কাজ উপহার দিতে পারি এবং আপনাদের একজন প্রিয় মুখ হয়ে থাকতে পারি।


